বেশ কিছু কোম্পানি নিজেদের এমএলএম সিস্টেম বলে স্বীকার করতে চায় না এরা কখনো অ্যাফিলিয়েট আবার কখনো ই-কমার্স বলে চালিয়ে দেয়। কেউ আইনের ভয়ে আবার কেউ কৌশলে এমন করে থাকে। যেকারনেই করুক না কেন এটা অনিয়মের পর্যায়ে পড়ে।
এসব কোম্পানি একসময় মানিগেম এর আশ্রয় নেয় তাছাড়া এদের কোন উপায় থাকে না। কারন ব্যয়বহন করার মতো কোন উপায় থাকে না।
মূলত এসব কোম্পানির নিজস্ব কোন পণ্য থাকে না ইউনিক পণ্যতো থাকেই না, ধার করা পণ্য অথবা পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্য বাড়িয়ে টিকে থাকা অসম্ভব। ডিরেক্ট সেলিং বা এমএলএম পদ্ধতিতে ব্যবসা করতে হলে পণ্যের উপর শতভাগ নিয়ন্ত্রণ থাকা আবশ্যক। তাহলে কোন কারনে সিস্টেম থেকে বের হলেও কোম্পানী টিকে থাকবে। সাথে কোম্পানীর কিছু পরিবেশকও টিকে থাকতে পারেন।
ই-কমার্স বা অ্যাফিলিয়েট এর চেয়ে মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং অনেক বেশি জটিল এবং চ্যালেঞ্জিং। একথাটি অনেকবার বলেছি। প্রথমদিকে এমএলএম বা ডিরেক্ট সেলিং সহজ মনে হলেও আসলে তা নয়। কারন এখানে অনেকগুলো মানুষের জীবিকার প্রশ্ন চলে আসে। পৃথীবীতে অনেক বড় বড় কোম্পানীও এই সিস্টেমে এসে মানিয়ে নিতে পারেনি। এ কারণে নিজস্ব পণ্য বা সেবা ব্যতীত কোন প্রতিষ্ঠানে ক্যারিয়ার ভাবনা নিছক আত্মহত্যার শামিল।
আবার শুধু পণ্য থাকলেই হবে না ওটার দীর্ঘমেয়াদী বাজার সম্ভাবনাও যাচাই করতে হবে। যেমন ধরুন আপনার কোম্পানী একটি পণ্য বাজারজাত করলো যেটা ৬ মাসের মধ্যে ফুটপাতে বিক্রয় শুরু হয় অর্ধেকেরও কম দামে। তাহলে কি দাঁড়ালো আপনার তৈরী করা কাস্টমার বেইজটা নস্ট হয়ে গেল সাথে ইমেজও নষ্ট হলো। এজন্য পণ্যের উপর নিয়ন্ত্রণ বলতে ভবিষ্যতে কি কি পরিবর্তন আসতে পারে এবং এটা অন্যরা করতে গেলে কতটা সহজবোধ্য তাও বিবেচনায় রাখতে হবে। ডাইভারসিফিকেশন অব প্রডাক্ট বা পণ্যের বৈচিত্র্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেটার কারনে আপনার পণ্য দীর্ঘদিন ইউনিক থাকবে।
আমার কোন লেখা কোন কোম্পানীকে টার্গেট করে নয়, অভিজ্ঞতা আর অধ্যয়নের আলোকে আলোচনা করা। দেখুন না একটা কোম্পানী মাত্র ১টা পণ্য দিয়ে দীর্ঘ ৪ বছর ব্যবসা করছে এখনও এই পণ্যটি কেউ নকল করতে পারছে না কিংবা নকল করে লাভ হবে না এমন।তাহলে ধরে নিন আপনি আরও ৩/৪ বছর এই পণ্যটি বিক্রয় করতে পারবেন। এখন যদি পণ্যটির ভ্যালু তার মূল্যের সমান বা বেশি হয় তাহলে মানুষ এটিকে চেয়ে নিবে। ইউনিক হলেই ইচ্ছেমত মূল্য নিবেন তাও নয়, পণ্যের মূল্যের সাথে এর কার্যকারিতা, প্রয়োজনীয়তা এসবও বিবেচ্য বিষয়।
ডিরেক্ট সেলিং বলুন আর এমএলএম, কিছু ভাল পণ্য আপনাকে টিকিয়ে রাখবে। যদিও বিষয়টি গ্রহণযোগ্য নয় তবুও দেখুন বেশকিছু কোম্পানীর কার্যক্রম তেমন জোড়ালো না হলেও তাদের পণ্য বিক্রয় করে কিছু পরিবেশক ঠিকই আয় করছে কারন তাদের পণ্য বৈচিত্র্যময় এবং মানুষ এসব সাদরে গ্রহণ করে।
টেকনিক্যাল বিষয়গুলো স্টাডি করবেন কারন ক্যারিয়ার হিসেবে যে পেশাই যাবেন আদ্যপ্রান্ত জানা জরুরী।
যারা মনে করছেন এমএলএম শেষ তারা প্রকৃত বিষয়ই জানেন না তারা হয় মানিগেমে ছিলেন অথবা সেটআপে। আপনি যখন এমএলএম ছেড়ে অন্য কোন পেশায় যাবেন তখন এটিকে খারাপ আর নতুনটি ভাল এমন যারা বলেন তাদের মধ্যে শুরু থেকেই সততার অভাব ছিল।
আস্তে আস্তে আরও খুঁটিনাটি বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলবো ইনসাআল্লাহ।
ধন্যবাদ
লেখক : এম. রহমান আরিফ
আমার উনিশ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে একটা কথা স্পষ্টভাবে বলতে পারি, নেটওয়ার্ক মার্কেটিং পেশা হলো পৃথিবীর অন্যতম সেরা পার্সোনালিটি সম্পন্ন পেশা। অর্থাৎ ভাল নেটওয়ার্কার মানে ব্যক্তিত্ববান মানুষ।
পার্সোনালিটি এখানে গুরুত্বপূর্ণ কেন? কারন, এখানে সেইসব মানুষগুলোই সফলতা অর্জন করে যারা অনেক ব্যক্তিত্ববান ও রুচিশীল। অনেকের কাছে অবাক লাগতে পারে বিষয়টি তবুও এটাই সত্য আপনি পার্সোনালিটি সম্পন্ন না হলেও আপনাকে অর্জন করতে হবে যদি এটা না হয় তাহলে কেউ আপনার কথা শুনবে না। ব্যতিক্রমও আছে যেমন অনেক ভন্ড ও প্রতারক নিজেদের মুখোশের আড়ালে রেখে যতসব নোংরামী করে। অপ্রিয় হলেও সত্য বর্তমান যুগে এমন ভন্ডের সংখ্যাই বেশি যে কারনে রুচিশীল মানুষ এখান থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে।
আপনি যদি এমওয়ে কর্পোরেশনের ডায়মন্ডদের প্রোফাইলগুলো পর্যবেক্ষণ করেন তাহলে দেখবেন সেখানে সুশিক্ষিত, রুচিশীল, স্মার্ট নেটওয়ার্কারের সংখ্যার প্রাধান্য।
নেটওয়ার্ক মার্কেটিং সম্পর্কে বেশিরভাগ মানুষ জানে না বিধায় এখানে প্রতারক টাইপের লোকেরা সুযোগ নেয়। কিন্তু তারা সময়ের সাথে সাথে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়। এদের মুখোশ দ্রতই উম্মোচিত হয়ে যায়।
দেখুন আপনার কথা কারা শুনবে যারা আপনাকে বিশ্বাস করবে, সম্মান করবে অথবা আপনার উপর আস্থাভাজন হবে। এই গুণগুলো অর্জনের জন্য আপনাকে ব্যক্তিত্ববান হতে হবে কোন সন্দেহ নেই। আপনার অনেক বেশি পড়াশুনা না থাকলে বিষয়ভিত্তিক অনেক বেশি জ্ঞানার্জন করতে হবে।

নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এ সফলতার জন্য হ্যামিলিওয়ানের বাঁশিওয়ালা হওয়ার প্রয়োজন নেই, আপনার বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য অন্যদের কাছে আপনাকে অনন্য মনে হতে পারে। সেই গুণসমূহ অর্জনই আপনার প্রথম কাজ, মানে আমরা যেসব প্রশিক্ষণ করি তার মধ্যে অন্যতম হলো নিজেকে প্রস্তুত করা। কারন আপনার কোম্পানীর পণ্য ও প্লান বিষয়ে যে কেহ ওয়েবসাইটে ঢুঁ মারলেই পাওয়া যায়, আমরা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এ এমন কাউকে খুঁজি যার উপর আস্থা রেখে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নিই অর্থাৎ আস্থার্জন হলো প্রথম কাজ সেটা হোক ক্রেতার নিকট কিংবা নতুন কোন পরিবেশকের নিকট।
আবার পূর্বের কথায় ফিরে যাই, পার্সোনালিটি সম্পন্ন হতে গেলে যেসব বৈশিষ্ট্য প্রয়োজনঃ সুবুদ্ধি সম্পন্ন বা বিবেকবান, বর্হিমূখীতা বা মিশুক প্রকৃতির, ইতিবাচক মনোভাব, সার্বজনীন, প্রভাব বিস্তার করার ক্ষমতা ও ন্যায়পরায়নতা।
বিষয়টিকে অনেকেই ভিন্ন ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করলেও আমাদের কাছে স্পষ্ট যে, ব্যক্তিত্ববান মানুষ হতে হলে অনেকগুলো বিশেষ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হতে হবে।
একজন নেটওয়ার্কার তখনই একজন সফল লিডারে পরিণত হয় যখন পার্সোলিটি ট্রেইটগুলো তার মধ্যে ফুঁটে উঠে। উদাহরন হিসেবে হাজার হাজার সফল নেটওয়ার্কারের জীবনী পড়লেই আমরা পরিস্কার ধারনা পাব।
পরিশেষে আমরা এটুকু বলতে পারি, সকল পেশাতেই ব্যক্তিত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলেও নেটওয়ার্ক মার্কেটিং-এ এটি অত্যাবশ্যক কারন নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যক্তিত্ববানদের জন্য চতুর কিংবা জোচ্চুরদের জন্য নয়।
লেখক : এম. রহমান আরিফ
]]>Lots of young people worried about their carrier. They are doubt and uncertain about their carrier. Decision making in a uncertain position hampered their next journey. This is very significant part of a man when they completed their study and searching a reliable profession. Here we discuss Network Marketing as a carrier matter. Professionalism is very significant for the full-time direct seller. Should be reduced to bothering people when joining our network. People are annoyed if they aren’t interested in Network marketing.
From the very first day of joining in a Network Marketing company people are hopeful to start with a vision. In a direct selling or network marketing company everything is positive until the company takes any unwise decision. Some people are trying to prove their smart attitude but they don’t have good results. Network Marketing is not a short time game; its an opportunity to build a better future. Let’s try how to choose people to join in your network. When you choose a prospect four things should be consider:
1. Attitude
2. Choice
3. Need
4. Aim
Attitude: In the direct selling business positive attitude is must, positive attitude means being optimistic about situations and interaction, positive attitudes remain hopeful in a difficult situation. Network marketing is a challenging profession hence people of positive attitude can adapt any unusual situation. Working with mass people is not easy if their lack of positive attitude. As a upline one should understand the attitude of a prospect.
Choice: Some people like marketing job, some like banking job, another people like teaching. People choose their profession according to their social status and area of study. In general, they choose the profession considering comfortability and reliability. Network marketing is not for all, there is no certainty in MLM so the people who engaged in this profession must be optimistic.
Need: A need is a desire to get something, on other hand needs refer to those that are necessary for survival. Network marketing is a sector where different needs create at a different level. In the preliminary stage, people can solve their primary needs like food and shelter. In the middle stage of his carrier, he can solve his hobbies and change his lifestyle.
Choosing a prospect will be easier when we can understand his or her need.
Aim: We know aim is important to every person to achieve something in life. Aimless people can do nothing, as a direct seller your prospect should have the aim in direct selling. Success comes if he set his aim properly. Talk with your prospect about his aim. You can help him to set aim successfully. But don’t bother him to set aim. It’s a freedom business.
Network Marketing is a business with low investment. Here lots of people can get the opportunity to start a business very fast. Never commit to the people to save your business because it can smash the whole. Most of the people come to start direct selling but very little can succeed, so wait until good prospects come.
লেখক : এম. রহমান আরিফ
]]>মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং ইন্ড্রাষ্ট্রির প্রধান তিনটি কম্পেসেশন প্লান হলো ব্রেকওয়ে, ইউনিলেভেল ও বাইনারী। আপনি যদি এমএলএম ইন্ড্রাষ্ট্রিতে কিছু সময় কাটান তাহলে অবশ্যই এই তিনটি’র যে কোন একটির সাথে অন্তত পরিচিত। এই তিনটি প্লান ডিরেক্ট সেলিং ইন্ড্রাষ্ট্রিতে পরীক্ষিত, নির্ভরযোগ্য ও জনপ্রিয়। আপনি যদি এই সেক্টরে নতুন হয়ে থাকেন অবশ্যই এই তিনটি প্লানের বিস্তারিত জানার চেষ্টা করবেন। আমরা কিছু আলোচনা করে জানার চেষ্টা করবোঃ
ব্রেকওয়ে (Break-way) কমিশন প্লানঃ সবচেয়ে পুরোনো এবং দীর্ঘস্থায়ী প্লানের একটি ব্রেকওয়ে। এটির ক্লাসিক স্টাকচার এখনো অনেক কোম্পানীকে শীর্ষে ধরে রাখতে সহায়তা করছে। বিশেষ করে প্রমোশন ও র্যাংকে এচিভমেন্ট এর জন্য এটি নেটওয়ার্কারদের নিকট জনপ্রিয়।
ব্রেকওয়ে বেসিকঃ ব্রেকওয়ে কমিশন স্টাকচারের বেসিক হলো এটা গ্রুপ ভলিউম সেল এবং ব্রেকওয়ে র্যাংকের উপর নির্ভরশীল। প্রত্যেক পরিবেশক গ্রুপ ভলিউম সেলস এর উপর কমিশন লাভ করে এবং লিডারগন ব্রেকওয়ে গ্রুপের সেলস ভলিউম থেকে অন্যান্য কমিশন ও বোনাস লাভ করে। আরেকটু বিশদ দেখি-
ব্রেকওয়ে গ্রুপ কিঃ ব্রেকওয়ে র্যাংকে পৌঁছে যাওয়া লিডারদের নিয়ে ব্রেকওয়ে গ্রুপ গঠিত। চিত্রে ২৯টি আইডি দেখা যাচ্ছে কিন্তু এর মধ্যে আরো দুজন ব্রেকওয়ে লিডার হয়ে যাওয়ায় আপনার ব্রেকওয়ে গ্রুপ হয়ে গেল ৯টি আইডি’র (শুধু লাল চিহ্নিত) এখানে একবারে টপ লিডার পরের ব্রেকওয়ে লিডারদের গ্রুপ ভলিউম কমিশন পাবে না কিন্তু ব্রেকওয়ে লিডারদের টিম থেকে জেনারেশন কমিশন পাবেন। চিত্রঃ১

এ কমিশন প্লানটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো র্যাংকের সাথে সাথে বিভিন্ন ধরনের কমিশন যোগ হয় আবার নতুন লিডার তৈরী হলে কিছু কমিশন বন্ধ হয়ে পরবর্তী ধাপের বোনাসের জন্য উপযোগী হয়ে যায়।
জেনারেশন কমিশনঃ নিচের চিত্রের মাধ্যমে আরো একটু পরিষ্কার হতে পারব, প্রথম অংশে B সম্পূর্ণ টীম থেকে গ্রুপ ভলিউম কমিশন পেয়ে থাকে কিন্তু যখনই A ব্রেকওয়ে লিডার র্যাংক এচিভ করে A এর টীম থেকে গ্রুপ ভলিউম কমিশন আর পায় না B. এরপর থেকে জেনারেশন ও অন্যান্য বোনাস পেয়ে থাকে। চিত্রঃ২

এই প্লানটি কাস্টমার ও সেলস অরিয়েন্টেড এখানে সেলস ভলিউম খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ করে যেসকল প্রতিষ্ঠান প্রচুর পরিবেশকের চেয়ে কাস্টমার অরিয়েন্টেড পলিসি গ্রহণ করে তাদের জন্য এই প্লান বেশ কার্যকর। লিডারদের জন্য চ্যালেঞ্জিং প্লান ব্রেকওয়ে একই সাথে প্রচুর সুযোগ রয়েছে।
ব্রেকওয়ে প্লান পৃথিবীর বিলিয়ন ডলার কোম্পানীগুলো ফলো করে থাকে। অন্যসব প্লানের মতো সহজবোধ্য না হলেও এখানে লিডারশীপ কোয়ালিটি প্রয়োজন সফল হওয়ার জন্য।
ইউনিলেভেল (Uni-level) কমিশন প্লানঃ
ব্রেকওয়ে পরবর্তী সময়ে ইউনিলেভেল প্লান অনুসরণ করে অনেক প্রতিষ্ঠান সফলতা পেয়েছে। এর কারন এখানে কমিশন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে এটা নিরবচ্ছিন্নতা/কন্সিস্টেন্সি থাকে। এই প্লান বর্তমানে বহুল ব্যবহারিত বিশেষ করে স্বাস্থ্য ও সাপ্লিমেন্ট পণ্য বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এই কমিশনটি অধিক ব্যবহার করে।
বৈশিষ্ট্যঃ ইউনিলেভেল কমিশন প্লান বেশ সহজবোধ্য। এটি খুব সহজে একজন পরিবেশক বুঝে নিতে পারেন। উপর থেকে নিচ পর্যন্ত এটি একটি সরলরেখা বরাবর কমিশন বন্টন করে যার দরুন এখানে হিসেব অনেক সহজ।এখানে সেলস ভলিউমের একেকটি স্তর বা সীমারেখা থাকে যেখানে কমিশন পার্সেন্টেজ উল্লেখ থাকে।
এখানে একজন নেটওয়ার্কার নিজের মতো করে টীমকে সাজিয়ে নিয়ে শর্তগুলো পূরন করতে পারেন, একেকটি টীমকে পৃথক পৃথকভাবে গড়ে তোলার সুযোগ থাকে।
এই প্লানে একটা সাসটেনেবল ইনকামে পৌঁছাতে সময় লাগলেও একটা সময় গিয়ে আয়ে একটা ধারাবাহিকতা চলে আসে। ধারাবাহিক ও স্বচ্ছ আয়ের জন্য এটি জনপ্রিয়।
ইউনিলেভেলের প্রধান মুটিবেশন সেলস।
ইউনিলেভেলের সমস্যাগুলো নিয়ে আমরা পরবর্তী লেখায় ব্যাখ্যা করব।
বাইনারী কম্পেন্সেশন প্লানঃ
এটি আধুনিকতম কম্পেন্সেশন প্লান বলা হয় কারন ৮০’র দশকে বাইনারীর জন্ম নেয়ার পর থেকে এখন অবধি এটিকে ঘিরেই হাইব্রিড প্লান তৈরী হচ্ছে। অনেকের মতে বাইনারী পিরাডিমের স্থলাভিষিক্ত বলে মনে হলেও মূলত বাইনারী প্লান হতো সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে সফলতা বয়ে আনা একটি প্লান কোম্পানীগুলোর জন্য। মোদ্দাকথা কোন কম্পেন্সেশন প্লান পিরামিডের রিপ্রেজেন্ট করে না বরং সবগুলো প্লানই দেখতে পিরামিডের মতো মনে হলেও পিরামিডের পলিসি ভিন্ন।
গঠনঃ বাইনারী প্লানের গঠন খুবই সোজাসাপ্টা। দুটো স্পন্সর লেগ থাকে প্রতিটি আইডি’র। শর্ত থাকে দুটি আইডি’র ম্যাচিং বা সমন্বয়ে কমিশন পে করা হয়। বাইনারী প্লানের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এখানে আনলিমিটেড সেলস কাউন্ট করা হয় অর্থাৎ ডাউন টীমের সকল সেলস সোজা উপরের দিকে প্রত্যেক পরিবেশকের জন্য হিসেব করা হয় (কখনো কখনো শর্ত সাপেক্ষ্যে)
স্পন্সর আয় ছাড়াও আনলিমিটেড সেলস থেকে সবচেয়ে বেশি আয় সম্ভব যেখানে কিনা কোম্পানীগুলো লিমিট সেট করে থাকে। ডাউনের যে কোন একটা লেগ রান করলেই ম্যাচিং হতে থাকে, অর্থাৎ এখানে কোন একজন লিডার বা পরিবেশকের জন্য আয় বন্ধ হওয়ার সুযোগ নেই।

এজন্যই কিছু না করে আয় (“Do-nothing” mindset) করে মুটিবেশন দেয় লিডাররা তাদের নতুন পরিবেশকদের। বাস্তবে সেলস ছাড়া কিছু সম্ভব নয়।
বিপদজনক দিকঃ বাইনারীকে অনেকে পিরামিড স্কীম বলে প্রপাগান্ডা ছড়ালেও বর্তমানে বিশ্বে যেসব কোম্পানী দ্রুত উন্নতি করছে এর পেছনে বাইনারী কম্পেন্সেশন প্লানের ভূমিকা রয়েছে। আগেই বলেছি পিরামিড বা মানিগেমের বিষয়টা প্রতিষ্ঠানের পলিসির উপর নির্ভর করে কোন সুনির্দিষ্ট প্লানের জন্য নয়। বাইনারীতে বন্টন প্রনালী সহজ বিধায় এটিকে মানিগেমাররা বেছে নেয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মানিগেমাররা বাইনারী প্লান শর্টকাটে বানাতে অভ্যস্ত। যেখানে ৯০ ভাগ কোম্পানী বাইনারী অনুসৃত সেখানে সমস্যা বেশি হওয়াটা স্বাভাবিক।
করনীয়ঃ বাইনারী প্লান অনুসৃত কোম্পানীগুলোর গ্রুপ সেলসের পাশাপাশি পার্সোনাল সেলস টার্গেট থাকতে হবে, প্যাকেজ সেলস থেকে বের হয়ে রিটেইলিং এর দিকে যেতে হবে। র্যাংক ও ম্যাচিং কমিশনের জন্য সেলস টার্গেট ও ডাউনলাইন গ্রুপ লিডারদের সেলস ভলিউম কাউন্ট করতে হবে। পণ্যমূল্য বাজারের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ কিনা তা যাচাইয়ের জন্য কঠোর তদারকি করতে হবে। মোড়ক বদলালে দামও বদলে যায় এই প্রথা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং এর এই তিনটি কম্পেন্সেশন প্লানই হলো প্রধান। এগুলোর সাথে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা সংযোজন করে হাইব্রিড প্লান বা মাল্টিপল বেনেফিট প্লান বানানো হয়।
সর্বোপরি এই ডিরেক্ট সেলিং বা মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং এর উত্তোরনের জন্য সুস্পষ্ট ও সময়োপযুগী নীতিমালা করতে হবে এবং যে আইন রয়েছে তাতে অনেকগুলো সংশোধনের প্রয়োজন আছে যা দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করতে হবে। তবেই মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং এর সুফল অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারবে।
লেখক : এম. রহমান আরিফ
]]>মাস শেষে দোকান ভাড়া/অফিস ভাড়া, ঘর খরচ, স্টাফ বেতন নিজের খরচ এসব কিছু নির্ভর করে বিক্রয়ের উপর, এভাবেই ব্যবসা মানুষকে ধৈর্য্যশীল হতে শেখায়, অনেক চাপ নিয়েও ক্রেতার সাথে হাসিমুখে কথা বলার নামই ব্যবসা।
নেটওয়ার্ক মার্কেটিং একটি ব্যবসা, এখানে অস্থিরতার স্থান নেই। যাদের বেশি তাড়া আছে তারা এখানে ঝুঁকিপূর্ণ। শুধু নিজের জন্য নয় অন্যের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ বিশেষ করে যারা এখানে ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন দেখে। আপনার অস্থিরতা অন্যদের ভোগান্তির কারন হবে তাই নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় ধৈর্য্য অত্যাবশ্যক।
আপনার অনেক ব্যস্ততা, অনেক অভাব, অনেক দ্রুত কিছু করার ভাবনা এসব ছেড়ে আসতে হবে। এখানে স্বপ্নের সাথে লক্ষ্য স্থির করতে হবে, লক্ষ্য অনুযায়ী এগিয়ে যেতে হবে স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য। নেটওয়ার্ক মার্কেটিং একটি ব্যবসা, তাই এখানে অধ্যবসায়ের বিকল্প নেই। একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে ভাল একটা অবস্থান তৈরীর জন্য।
দেখুন-জানুন-শিখুন এরপর সিদ্ধান্ত নিন, পরিকল্পনা করুন, লক্ষ্য স্থির করুন এবং ঝাঁপিয়ে পড়ুন।
যার হাতে রিজিক তিনিই ফয়সালা করেন আমরা শুধু চেষ্টা করতে পারি। এই নেটওয়ার্ক মার্কেটিংই আপনাকে ধনী বানাবে এমনটি নয়।
এখানে এসে এখান থেকে শিখে অনেকে রাতারাতি সেলিব্রেটি হয়ে গেছেন, এখান থেকে শিখে অনেকে ভিন্ন ভিন্ন পেশায় নিজেদের অবস্থান সমুন্নত করেছেন এমন উদাহরন অসংখ্য কারন এখানে মানুষকে এমন কিছু শেখায় যা অন্য কোথাও নেই।
নেটওয়ার্কার মানে আপনি একজন ব্যবসায়ী, ব্যবসা আপনাকে ধৈর্য্যশীলতা শেখায় তাই একজন নেটওয়ার্কার মানে একজন ধৈর্য্যশীল মানুষ।
লেখক : এম. রহমান আরিফ
]]>কিছুদিন আগে সিটি কর্পোরেশনের অফিসে গিয়ে বললাম, আমি একটা ট্রেড লাইসেন্স বানাতে চাই ই-কমার্স ব্যবসার জন্য। প্রত্যুত্তরে একজন বললেন, “ই-কমার্স” বলতে ব্যবসার ধরন নেই, আপনি আইটি, সফটওয়্যার যে কোনটি দিতে পারেন।
ভাবনার বিষয়
আচ্ছা প্রথমে দেখে নেই ই-কমার্স আসলে কি?
——————————————————-
ই-কমার্স আসলে কোন ব্যবসা না। এটা কোন ব্যবসার মডেলও না। এটাই সত্যি। তাহলে প্রশ্ন জাগছে মনে – ই-কমার্স তাহলে কি ?
ই-কমার্স এর সোজা অর্থ করলে যা দাঁড়ায় ইলেক্ট্রনিক্স কমার্স।
ই-কমার্স হচ্ছে, কোন বানিজ্যের ইলেক্ট্রিকিকরন মানে প্রযুক্তির ব্যবহার সংমিশ্রিতি করে বানিজ্যের প্রসেসকে সহজীকরনের পাশাপাশি প্রসারও বৃদ্ধি করা।
# মূলত ই-কমার্স একটি টুলস। এই টুলসের মাধ্যমে আপনি আপনার যে কোন ব্যবসাতে প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতকরনের মাধ্যমে আপনার ব্যবসার প্রসেস ও প্রসারকে বৃদ্ধি করতে পারেন। পাশাপাশি অভ্যান্তরীন ব্যবস্থাপনা ও ভোক্তার জন্যে পণ্য বা সেবা প্রাপ্তির নিশ্চয়তাকে সহজতর করে তুলতে পারেন।
ই-কমার্সের প্রকারভেদঃ
—————————–
• ব্যবসা-থেকে-ব্যবসা (B2B)ঃ ব্যবসা-থেকে-ব্যবসা ই-কমার্স সম্পাদিত হয় একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে। ৮০ শতাংশের (৮০%) মত ইলেকট্রনিক কমার্স ব্যবসা-থেকে-ব্যবসা প্রকার এর অন্তর্ভুক্ত।
• ব্যবসা-থেকে-গ্রাহক (B2C)ঃ ব্যবসা-থেকে-গ্রাহক ইলেকট্রনিক কমার্স সম্পাদিত হয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গ্রাহকের মধ্যে। এই প্রকারে
দ্বিতীয় সর্বাপেক্ষা বেশি ইলেকট্রনিক বাণিজ্য সম্পাদন হয়ে থাকে।
• ব্যবসা-থেকে-সরকার (B2G)ঃ ব্যবসা-থেকে-সরকার ইলেকট্রনিক কমার্স সম্পাদিত হয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় খাতের মধ্যে। এটি সাধারনত ব্যবহৃত হয়ে থাকে রাষ্ট্রীয় কেনা/বেচা, লাইসেন্স
সংক্রান্ত কার্যাবলী, কর প্রদান ইত্যাদি ক্ষেত্রে।
• গ্রাহক-থেকে-গ্রাহক (C2C)ঃ গ্রাহক-থেকে-গ্রাহক ইলেকট্রনিক কমার্স সম্পাদিত হয় একাধিক ব্যক্তি ও গ্রাহকের মধ্যে। ইলেকট্রনিক বাজার ও অনলাইন নিলাম এর মাধ্যমে সাধারণত এই ধরনের বাণিজ্য সম্পাদিত হয়।
• মোবাইল কমার্স (m-commerce)ঃ মোবাইল কমার্স ইলেকট্রনিক কমার্স সম্পাদিত হয়। তারবিহীন প্রযুক্তি যেমন মোবাইল হ্যান্ডসেট বা পারসোনাল ডিজিটাল অ্যাসিস্টেন্ট (PDA) এর মাধ্যমে। তারবিহীন যন্ত্রের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের গতি ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির সাথে সাথে এই ধরনের বাণিজ্য জনপ্রিয়তা লাভ করছে।
ই-কমার্স নিয়ে আর বিস্তারিত গেলাম না, এবার যে বিষয়টি নিয়ে লিখব তা হলোঃ “ই-কমার্স ও এমএলএম”
বাংলাদেশে মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং বিষয়ক আইন হয়েছে, এটি অবশ্যই একটি বৈধ ও স্বীকৃত ব্যবসা। যদিও সাময়িক লাইসেন্স বন্ধ।
বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় “ই-কমার্সের নামে এমএলএম” এটা কিভাবে সম্ভব?
ই-কমার্স কোন ব্যবসার ধরন নয় বা এই নামে এখনও আইন নেই, এই নামে ট্রেড লাইসেন্সও ইস্যু হয় না।
যে কোন ব্যবসায়িক, শিল্প প্রতিষ্ঠান এমনকি সেবামূখী প্রতিষ্ঠান ই-কমার্সকে প্রচার-প্রচারনা, যোগাযোগের মাধ্যম বা “টুলস” হিসেবে বেছে নেয় ই-কমার্স-কে।
তাহলে প্রথমে একটি প্রতিষ্ঠান এমএলএম বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং প্রতিষ্ঠান হতে হবে এরপর এটি যখন ই-কমার্স এর সহযোগিতা নেয় তবে এটি একটি আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করল কিন্তু এটিকে শুধু ই-কমার্স বলার কোন সুযোগ নেই। কারন ই-কমার্স কোন ব্যবসার ধরন হতে পারে না। বর্তমানে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই কোন না কোনভাবে ই-কমার্সের সুযোগ নিচ্ছে কিন্তু প্রতিটি ব্যবসারই পৃথক পৃথক ধরন রয়েছে।
একই সাথে কিছু প্রতিষ্ঠান, ই-কমার্স এর সুযোগ নিয়ে পুরো সিস্টেমকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে।
যেসব এমএলএম কোম্পানীগুলো আইনের ফাঁকগলে বের হওয়ার জন্য বা নিজেদের নিরাপদ রাখার জন্য ই-কমার্স বলে চালিয়ে দিচ্ছে তাদের কারোর ট্রেড লাইসেন্সে কি “ই-কমার্স” লেখা রয়েছে? দেখে নিন কি লেখা আছে।
এমনটি লেখার সুযোগ নেই যেহেতু এই বিষয়টি এখনও প্রক্রিয়াধীন।
আবার অনেক প্রতিষ্ঠান নিজেদের অ্যাফিলিয়েট সিস্টেম বলে আসছে, এটিও ভুল কারন নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর বৈশিষ্ট্যগুলো এড়িয়ে গিয়ে অস্বীকার করার উপায় নেই।
কিন্তু মোদ্দাকথা হলো, এমএলএম, ই-কমার্স বা অ্যাফিলিয়েট যাই হোক না কেন যে সিস্টেম দিয়ে মানুষকে ঠকানো হয় তা কখনও বৈধ নয়। এবং তা কখনও স্থায়ী হতে পারে না।
আসুন আমরা ই-কমার্স টুলস ব্যবহার করে এমএলএম এর প্রচার ও প্রসার বাড়িয়ে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করি। মিথ্যে ও প্রতারণামূলক কোন কর্ম থেকে বিরত থাকি। অন্য যে কোন ব্যবসার মতো এমএলএম কোম্পানীগুলোও ই-কমার্স ব্যবহার করে নিজেদের বিক্রয়, প্রচার-প্রসার বাড়াতে পারেন। কিন্তু আইনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।
কেন আপনি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং কে বেছে নিবেন?
কারন এখানে বিত্তশালী হওয়ার সুযোগ আছে, অসংখ্য মানুষকে পথ দেখানোর সুযোগ আছে, সেবার সুযোগ আছে, সম্মানের সুযোগ আছে, নিজের মত করে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ আছে, এতসব অন্য কোন পেশায় আছে কি?
আপনি মুদি দোকান কিংবা ফ্লেক্সিলোডের ব্যবসায় ডিরেক্ট সেলিং করবেন?
আপনি কি এমওয়ে, এভন, ফরএভার, হার্বালাইফ, নিউস্কিন, ওরিফ্লাম, নেচুরা, জিউনিস, ইনফিনিটাস এবং এটমী’র নাম শুনেছেন? এসব হলো পৃথিবীর সেরা সব ডিরেক্ট সেলিং কোম্পানী।
একটু যাচাই করে দেখুন এদের একটা প্রোগ্রামের ব্যয় আমাদের ২/৪টা কোম্পানীর মুলধনের চেয়েও বেশি।
শুধু পয়েন্টের ভাগাভাগি করেই নেটওয়ার্ক মার্কেটিং হয় না এজন্য যুগ যুগ ধরে রিসার্চ, বায়ো-টেকনোলজি, ন্যানো টেকনোলজি, পৃথিবীর সেরা সব অনলাইন এক্সাপার্টদের নিয়ে তৈরী করা হয় ওয়েবসাইট।
আপনি ২/৫/১০ লাখ টাকায় সফটওয়্যার করে নিজে এমএলএম ব্যবসা করবেন? এটা সবচেয়ে বড় ভুল, আপনি ই-কমার্স করতে পারেন, অনলাইন শপ করতে পারেন কিন্তু এমএলএম মোটেও সহজ কোন বিষয় নয়, ৫০/১০০ বছর ট্রেডিশনাল ব্যবসার পর যেসব প্রতিষ্ঠান এই মার্কেটিংকে বেছে নিচ্ছে তাদের সাথে আপনাকে প্রতিযোগীতা করতে হবে। ভেবে দেখুন আপনি কোথায় আছেন?
আজ আপনি সারা পৃথিবীতে যে ব্যবসা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চিন্তা করছেন, যে কোম্পানী আপনাকে সারা পৃথিবীতে ব্যবসার সুযোগ দিবে সেটি হলো ডিরেক্ট সেলিং। এজন্য আপনার দৃষ্টিকে প্রসারিত করতে হবে, চিন্তার পরিসীমাকে বাড়তে হবে, উন্নত মানসিকতা পোষন করতে হবে, বিশ্বব্যাপী আপনার ব্যবসাকে ছড়িয়ে দেয়ার প্রস্তুতি নিতে হবে।
প্রতিযোগীতায় টিকে থাকার জন্য উন্নত প্রযুক্তি ও আধুনিকতাকে সাথে নিতে হবে, সব কিছুতে ইমোশন চলে না। বায়োটেকনোলজির যুগে শ্রীপুরের বড়ি দিয়ে এমএলএম করলে সেটা আমার আপনার ক্যারিয়ার হবে না কিছু সময় আয়ের ব্যবস্থা হবে এই যা।
কারা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা ডিরেক্ট সেলিংকে পেশা হিসেবে নিবে?
যাদের শিক্ষা আছে, মেধা আছে, পরিশ্রম করার মানসিকতা আছে, সফর করা ধৈর্য্য আছে, মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ নেয়ার সাহস আছে, সেবার করার ইচ্ছে আছে, নীতি ও নৈতিকতা আছে, বিবেকবোধ আছে এবং সবাইকে নিয়ে চলার অঙ্গীকার আছে।
যে নেটওয়ার্কাররা আজ ১০০ কোটি টাকা বছরে আয় করেছে (যেমন- Dexter and Birdie Yager, Chanida and Nat Puranaputra, Rolf Kipp, Brian McClure) তাদের শুরুটা শুন্য থেকেই ছিল।
পরিশেষ বলবো, সবার জন্য নেটওয়ার্ক মার্কেটিং নয়, নেটওয়ার্ক মার্কেটিং মোটেও সহজ কোন ব্যবসা নয়।
নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এ পরিবর্তন অবিশ্যম্ভাবী।
First Published in Facebook 24 February 2020
]]>১) নেটওয়ার্ক মার্কেটিং-এর হাতেখড়ি বা ABC of MLM যার হাতে সেই আপলাইন
২) এমএলএম, প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা সম্পর্কে প্রথম যে তথ্য প্রদান করবে সে হলো আপলাইন
৩) সঠিক কিংবা ভুল যে কোন তথ্য প্রদান করবে সে হলো আপলাইন
৪) সঠিক দিক-নির্দেশনা প্রদানকারীর নাম আপলাইন লিডার
৫) পরিশ্রম, অর্থ ও পরামর্শ দিয়ে সহায়তাকারীর নাম আপলাইন লিডার
৬) গ্যাম্বলিং ও পিরামিড স্কীম থেকে সতর্ককারীর নাম আপলাইন লিডার
৭) বিপদে পাশে এসে দাঁড়ানো ব্যাক্তিটির নাম নাম আপলাইন লিডার
৮) ধীরে ধীরে সবচেয়ে আস্থাভাজন ও প্রিয় মুখটির নাম আপলাইন লিডার
৯) আপনার টীমকে সহযোগিতা প্রদান, মিটিং আয়োজন ও সময় প্রদানকারীর নাম আপলাইন লিডার
১০) আপনার ক্যারিয়ারকে সুন্দর ও সঠিক পথ দেখানো ব্যাক্তিটির নাম আপলাইন লিডার
১১) প্রতিদিন অন্তত একবার আপনাকে স্মরণকারী ব্যাক্তিটির নাম আপলাইন লিডার
১২) আপনাকে মূল্যায়নকারী ব্যাক্তিটির নাম আপলাইন লিডার
১৩) আপনাকে প্রশিক্ষণ করিয়ে, শিখিয়ে, সফলতার মঞ্চে তুলে ধরা ব্যাক্তিটির নাম আপলাইন লিডার।

লেখক : এম. রহমান আরিফ
]]>