Deprecated: Calling get_class() without arguments is deprecated in /home/marketb1/mrarif.sellerhaat.com/wp-content/plugins/slider-image/includes/class-hugeit-slider-frontend-scripts.php on line 9
হারবাল পণ্য ও নিউট্রিশনাল ফুড সাপ্লিমেন্টস বিক্রয় কৌশল – M Rahman Arif

হারবাল পণ্য ও নিউট্রিশনাল ফুড সাপ্লিমেন্টস বিক্রয় কৌশল

বিশ্বব্যাপী মাল্টিলেভেল মার্কেটিং, কিংবা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং কোম্পানীগুলোর অনেকগুলোই হারবাল পণ্য সামগ্রী এবং ফুড সাপ্লিমেন্টস্ বাজারজাত করে। ঔষধ সামগ্রী ও খাদ্যদ্রব্য বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সফলতা লাভ করে দুটি কারণে প্রথমতঃ মৌলিক চাহিদা পূরণ ও জীবন রক্ষাকারী ঔষধ বিপণন করে বিধায় এবং দ্বিতীয়টি হলো এমএলএম এর মতো আধুনিকতম বিপণন পদ্ধতি গ্রহণ। একারণে এসব প্রতিষ্ঠানের কমিশন প্ল্যান যাই হোক না কেন বাজারে তাদের অবস্থান বরাবরই ভাল। বর্তমানে আমাদের দেশে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে এবং অধিকাংশই জীবন রক্ষাকারী ঔষধ, হারবাল পণ্য ও প্রসাধনী এবং খাদ্য সামগ্রী বাজারজাত করছে। এখন হারবাল পণ্য ও নিউট্রিশনাল ফুড প্রোডাক্টস বিক্রয়ে সেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায় তা সংক্ষিপ্ত আলোচনা করব।

প্রথম পদক্ষেপ হলো আপনার প্রতিষ্ঠান ও পণ্য সামগ্রী সম্পর্কে জানুন। পণ্যের গুণাগুণ সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হউন। পণ্যের মোড়কে যেসব নির্দেশনা দেয়া থাকে তা ভালোভাবে পড়–ন। পণ্যের মূল্য বাজারের সাথে সংগতিপূর্ণ কিনা যাচাই করে নিন।

দ্বিতীয় পদক্ষেপ হলো পণ্যের ব্যবহার ও প্রয়োগ ভালোভাবে জানার জন্য প্রশিক্ষণ গ্রহণ করুন বিক্রয় ও বিপণন কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পাদনের জন্য পণ্য সম্পর্কে ব্যাপক ধারণা আবশ্যক।

তৃতীয় পদক্ষেপ ক্রেতা চিহ্নিতকরণ এ পর্যায়ে আপনাকে উক্ত পণ্যের ক্রেতা বা ভোক্তা চিহ্নিত করতে হবে। হারবাল পণ্য ক্রয়ের জন্য ক্রেতাকে উদ্ধুদ্ধ করতে হবে। “সুস্থ ও নিরাপদ জীবনের জন্য হারবাল ও নিউট্রিশনাল ফুড গ্রহণ প্রত্যেকের জন্য প্রয়োজন” এ স্লোগানটি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ক্রেতা চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে বয়স, আর্থিক অবস্থান, শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করতে হবে। ক্রেতার চাহিদা কি বা কি হতে পারে এবং মনোভাব বিশ্লেষণ করা উচিত। যেমন এমন অনেকেই আছেন যারা হারবাল পণ্যে আস্থা রাখে কিন্তু নির্ভরযোগ্যতা ও সঠিক তথ্যের অভাবে ক্রয় হতে বিরত থাকে। অতএব ক্রেতা চিহ্নিতকরণ সফল বিক্রয় কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

চতুর্থ পদক্ষেপ হলো সেল্স টীম বা বিক্রয় দল গঠন। এমএলএম পদ্ধতিতে সেল্স টীম ব্যতীত এককভাবে পণ্য বিক্রয় করে সাফল্য লাভ অনেক কঠিন। বরং স্পন্সরিং এর মাধ্যমে টীম (দল) গঠন ও সম্মিলিত প্রয়াসই সফলতার মূল ভিত্তি। এজন্য উচ্চকাঙ্খী, আয়প্রত্যাশী, পরিশ্রমী মানুষ বাছাই করুন যারা আপনার সেল্স টীমের সদস্য হবেন।

উপরোক্ত পদক্ষেপ অনুযায়ী এগুলো যে কেহ লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হবে। এমএলএম ব্যবসায় পরিশ্রম নেই এমন ধারণা ভুল। তবে এ সত্য যে অনেক কম পরিশ্রম ও ঝুঁকিবিহীন ব্যবসার মাধ্যমে দ্রুত আর্থিক স্বচ্ছলতা অর্জন করা সম্ভব, স্বাধীন জীবন যাপন সম্ভব। আমরা এমওয়ে কর্পোরেশন, ইউজানা, এভন কিংবা হারলাইফ ইন্টারন্যাশনাল সম্পর্কে জানলে এর সত্যতা অনুধাবন করতে পারব।

লেখক : এম. রহমান আরিফ

Leave a Reply