Deprecated: Optional parameter $field declared before required parameter $post is implicitly treated as a required parameter in /home/marketb1/mrarif.sellerhaat.com/wp-content/plugins/pc-google-analytics/includes/lib/class-pc-google-analytics-admin-api.php on line 281

Warning: The magic method Hugeit_Slider::__sleep() must have public visibility in /home/marketb1/mrarif.sellerhaat.com/wp-content/plugins/slider-image/slider.php on line 262

Warning: The magic method Hugeit_Slider::__wakeup() must have public visibility in /home/marketb1/mrarif.sellerhaat.com/wp-content/plugins/slider-image/slider.php on line 264

Deprecated: Calling get_class() without arguments is deprecated in /home/marketb1/mrarif.sellerhaat.com/wp-content/plugins/slider-image/includes/class-hugeit-slider-frontend-scripts.php on line 9
নেটওয়ার্কাররা নিজেদের স্বার্থ সংরক্ষনের জন্য একতাবদ্ধ হতে হবে – M Rahman Arif

নেটওয়ার্কাররা নিজেদের স্বার্থ সংরক্ষনের জন্য একতাবদ্ধ হতে হবে

নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য এখনই নেটওয়ার্কারদের একতাবদ্ধ হতে হবে যার কোন বিকল্প নেই।
কোন প্রতিষ্ঠানের মালিক/পরিচালক, তাদের প্রতিনিধি কিংবা কোম্পানি দ্বারা নিযুক্ত কোন
বিশেষজ্ঞ যদি নেটওয়ার্কারদের স্বার্থ রক্ষার জন্য কাজ করছে এমন বলা হয় তবে নিশ্চিত তা নিজেদের
স্বার্থে অথবা লোক দেখানো প্রচেষ্টা ছাড়া কিছুই নয়। পরের ধনে পোদ্দারি করা আর সাধারণ মানুষকে
বলির পাঁঠা বানানোই আমাদের দেশের উদ্যোক্তাদের আসল চরিত্র। যাকে মহামানব ভাববেন তাকে সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করে তার পক্ষে কথা বলা উচিত। সুন্দরভাবে কথা বলার মানুষের অভাব নেই এ সমাজে কিন্তু সুন্দর মনের মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় না যারা দশজনের স্বার্থ নিয়ে ভাবে কথা বলে। আমাদের সমাজে দ্বিমূখী চরিত্রের মানুষের অভাব নেই যাদের মুখে এক আর অন্তরে আরেক।দুঃখজনক হলেও সত্য যে প্রতি দশজনের আটজন নেটওয়ার্কারকে মানুষ বিশ্বাস করে না। দিন চারেক আগের একটা ঘটনা বলি- নিউমার্কেট এলাকা থেকে বাসে চড়ে মিরপুর আসছিলাম, সন্ধার সময় বাসে বেশ ভিড় ছিল। কন্ডাক্টর একটু চেঁচিয়েই বললো-‘ভাড়াটা দয়া করে দিয়ে দেন, পরে দেয়ার কথা বলে তিনজন টাই-পরা ভদ্রলোক ভাড়া না দিয়ে নেমে গেল, ভদ্রলোক চেনা মুশকিল।’ তার কথার রেশ ধরে একজন বললো ‘এরা এমএলএম কোম্পানীর লোক, এদের কাছ থেকে আগে ভাড়া কাটবে’। কয়েকজন হাসল এ কথা শুনে।নিজেকে যখন নেটওয়ার্কার বলতে গর্ববোধ করি তখন এমন পরিবেশে এ ধরনের কথা শুনা মোটেও ভাল লাগছিল না। সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য আপনার পেশাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আর আপনার পেশাটাই যখন চৌর্যবৃত্তির বলে পরিচিতি লাভ করবে তখন এ নিয়ে কথা বলারও সুযোগ থাকবে না। অভাবী দেশের মানুষ বলেই আমাদের কাছে অর্থলিপ্সা বেশি। চারপাশের আর দশজনের চেয়ে নিজের সম্পদের পাল্লা ভারী
করার জন্যই সার্বক্ষনিক চিন্তা, নিজের অর্জনটুকু মহৎভাবে করার চিন্তা নেই। সম্মিলিত স্বার্থ সংরক্ষনের প্রচেষ্টা আমাদের কাছে নেই বিধায় আমরা আজ বিচ্ছিন্ন। একদিকে হারানো টাকার জন্য মালিক পক্ষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ানো আর রাস্তায় নামলেই পুলিশের নিরবচ্ছিন্ন লাঠিচার্জ। এ মুহুর্তে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি দেশের নেটওয়ার্কাররা। অথচ ট্রেনিং এ স্যারেরা অনেক মজা করে শিখিয়েছে কিভাবে অর্থশালী হতে হয়! কিভাবে স্পন্সরিং করে টিম বিল্ড আপ করতে হয়। কিন্তু সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল নৈতিকতার বিচারে স্বীয় কোম্পানীর মূল্যায়ন। যেহেতু আমাদের দেশে এমএলএম কোম্পানীগুলো বিচার বিশ্লেষনের কোন মানদন্ড নেই সেহেতু তাদের ওপরেই দায়িত্ব ছিল মানুষকে সঠিক তথ্য সরবরাহ করা যারা কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করে এ পেশায় নিজেকে জড়িয়েছে। গতানুগতিকভাবে যেভাবে ঘটে ঠিক সেভাবেই আজ ঝুলে গেল এমএলএম নীতিমালা আর শুনতে হচ্ছে গজমূর্খদের কাছ থেকে নানা কটাক্ষ।
নেটওয়ার্কারদের একতাবদ্ধ হওয়ার সময় এখনই নতুবা আবার এমএলএম চলে যাবে উচ্চাকাঙ্খি মুনাফাভোগী ব্যবসায়ীদের হাতে।

লেখক : এম. রহমান আরিফ

Leave a Reply